Pendrive etiketine sahip kayıtlar gösteriliyor. Tüm kayıtları göster
Pendrive etiketine sahip kayıtlar gösteriliyor. Tüm kayıtları göster
ইচ্ছে করলে আপনি আপনার পেনড্রাইভকে র‌্যাম হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন, এতে আপনার কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা কিছুটা বাড়বে।এর জন্য আপনার লাগবে ন্যূনতম ২ গিগাবাইটের পেনড্রাইভ, তবে ৪ গিগাবাইট হলে আরও ভালো হয়।
প্রথমেই আপনার পেনড্রাইভটি কম্পিউটারে সংযোগ করে নিন। এখন মাই কম্পিউটারে ডান ক্লিক করে Properties-এ যান, এরপর Advanced/Performance/Settings/Advanced /Change অপশনে যান। এখন Drive (volume label) অপশনের মেনু থেকে পেনড্রাইভটি নির্বাচন করুন। এরপর Custom Size অপশন নির্বাচন করে Initial size এবং Maximum size বক্সে আপনি পেনড্রাইভের যতটুকু জায়গা র‌্যাম হিসেবে ব্যবহার করতে চান, তার সংখ্যা লিখতে হবে। মনে রাখবেন, উইন্ডোজের ৫ মেগাবাইট খালি জায়গা প্রয়োজন। তাই আপনার পেনড্রাইভে যতটুকু জায়গা আছে তার থেকে ৫-১০ মেগাবাইট কম ধরে লিখতে হবে। এরপর Apply/OK দিয়ে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন। এবার আপনার পেনড্রাইভটি র‌্যাম হিসেবে কাজ করবে। মনে রাখবেন, উইন্ডোজে কাজের জন্য দুই রকমের মেমোরি ব্যবহূত হয়। একটি ফিজিক্যাল মেমোরি, অন্যটি ভার্চুয়াল মেমোরি। ভার্চুয়াল মেমোরি হার্ডডিস্কে সংরক্ষিত থাকে। এই লেখায় ভার্চুয়াল মেমোরি হিসেবে কীভাবে পেনড্রাইভকে ব্যবহার করা যায় সেটিই দেখানো হয়েছে।
09:28 Unknown
ইচ্ছে করলে আপনি আপনার পেনড্রাইভকে র‌্যাম হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন, এতে আপনার কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা কিছুটা বাড়বে।এর জন্য আপনার লাগবে ন্যূনতম ২ গিগাবাইটের পেনড্রাইভ, তবে ৪ গিগাবাইট হলে আরও ভালো হয়।
প্রথমেই আপনার পেনড্রাইভটি কম্পিউটারে সংযোগ করে নিন। এখন মাই কম্পিউটারে ডান ক্লিক করে Properties-এ যান, এরপর Advanced/Performance/Settings/Advanced /Change অপশনে যান। এখন Drive (volume label) অপশনের মেনু থেকে পেনড্রাইভটি নির্বাচন করুন। এরপর Custom Size অপশন নির্বাচন করে Initial size এবং Maximum size বক্সে আপনি পেনড্রাইভের যতটুকু জায়গা র‌্যাম হিসেবে ব্যবহার করতে চান, তার সংখ্যা লিখতে হবে। মনে রাখবেন, উইন্ডোজের ৫ মেগাবাইট খালি জায়গা প্রয়োজন। তাই আপনার পেনড্রাইভে যতটুকু জায়গা আছে তার থেকে ৫-১০ মেগাবাইট কম ধরে লিখতে হবে। এরপর Apply/OK দিয়ে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন। এবার আপনার পেনড্রাইভটি র‌্যাম হিসেবে কাজ করবে। মনে রাখবেন, উইন্ডোজে কাজের জন্য দুই রকমের মেমোরি ব্যবহূত হয়। একটি ফিজিক্যাল মেমোরি, অন্যটি ভার্চুয়াল মেমোরি। ভার্চুয়াল মেমোরি হার্ডডিস্কে সংরক্ষিত থাকে। এই লেখায় ভার্চুয়াল মেমোরি হিসেবে কীভাবে পেনড্রাইভকে ব্যবহার করা যায় সেটিই দেখানো হয়েছে।
কম্পিউটার ওয়ার্ম বা ভাইরাসের কারণে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে অনেক সময় পেনড্রাইভে ফাইল থাকলেও তা অদৃশ্য (হাইড) হয়ে যায়। কিন্তু পেনড্রাইভের Properties-এ গেলে দেখা যায় ফাইলগুলো ঠিকই মেমোরিতে জায়গা দখল করে আছে। আবার ফাইলের বদলে ফাইলের শর্টকাট পাওয়া যায়। এ রকম সমস্যায় পড়লে Start থেকে All programme/accessories/notepad-এ গিয়ে নোটপ্যাড খুলুন এবং নিচের সংকেতটি হুবহু নোটপ্যাডে লিখুন।
attrib -h -r -s /s /d DRIVE LETTER:\*.*
DRIVE LETTER:
del *.lnk /f/s/q
del *.exe /f/q
del Autorun.inf /f/q
c:
tree
cls
exit
এখানে শুধু DRIVE LETTER লেখাটি মুছে আপনার কম্পিউটারে পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটারে লিখবেন (যেমন L হলে L: লিখবেন)। মাই কম্পিউটারে ঢুকে ড্রাউভ লেটার কোনটি তা দেখে নিন। নোটপ্যাডের অন্য কোনো হরফ বা চিহ্ন পরিবর্তন করবেন না। এখন File/Save as-এ গিয়ে ফাইলটি Unhide.bat নামে সেভ করুন। খেয়াল করুন, Unhide নামের নতুন একটি ফাইল তৈরি হয়েছে। তৈরি করা Unhide ফাইলটি ওপেন করুন। Unhide ফাইলটি চালু করার একটু পর তা স্বয়ংক্রীয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। এরপর পেনড্রাইভ ওপেন করে দেখুন অদৃশ্য ফাইলগুলো দেখা যাচ্ছে। এটি একই সঙ্গে পেনড্রাইভের ক্ষতিকর autorun.inf ফাইল, exe. এক্সটেনশনের সন্দেহজনক ফাইল এবং শর্টকাট ভাইরাসকে মুছে দেবে।
09:34 Unknown
কম্পিউটার ওয়ার্ম বা ভাইরাসের কারণে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে অনেক সময় পেনড্রাইভে ফাইল থাকলেও তা অদৃশ্য (হাইড) হয়ে যায়। কিন্তু পেনড্রাইভের Properties-এ গেলে দেখা যায় ফাইলগুলো ঠিকই মেমোরিতে জায়গা দখল করে আছে। আবার ফাইলের বদলে ফাইলের শর্টকাট পাওয়া যায়। এ রকম সমস্যায় পড়লে Start থেকে All programme/accessories/notepad-এ গিয়ে নোটপ্যাড খুলুন এবং নিচের সংকেতটি হুবহু নোটপ্যাডে লিখুন।
attrib -h -r -s /s /d DRIVE LETTER:\*.*
DRIVE LETTER:
del *.lnk /f/s/q
del *.exe /f/q
del Autorun.inf /f/q
c:
tree
cls
exit
এখানে শুধু DRIVE LETTER লেখাটি মুছে আপনার কম্পিউটারে পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটারে লিখবেন (যেমন L হলে L: লিখবেন)। মাই কম্পিউটারে ঢুকে ড্রাউভ লেটার কোনটি তা দেখে নিন। নোটপ্যাডের অন্য কোনো হরফ বা চিহ্ন পরিবর্তন করবেন না। এখন File/Save as-এ গিয়ে ফাইলটি Unhide.bat নামে সেভ করুন। খেয়াল করুন, Unhide নামের নতুন একটি ফাইল তৈরি হয়েছে। তৈরি করা Unhide ফাইলটি ওপেন করুন। Unhide ফাইলটি চালু করার একটু পর তা স্বয়ংক্রীয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। এরপর পেনড্রাইভ ওপেন করে দেখুন অদৃশ্য ফাইলগুলো দেখা যাচ্ছে। এটি একই সঙ্গে পেনড্রাইভের ক্ষতিকর autorun.inf ফাইল, exe. এক্সটেনশনের সন্দেহজনক ফাইল এবং শর্টকাট ভাইরাসকে মুছে দেবে।
অনেক সময় পেনড্রাইভে ভাইরাস থাকলেও আমরা তা শনাক্ত করতে পারি না।ইচ্ছে করলে আপনি সহজেই পেনড্রাইভের ভাইরাস শনাক্ত করতে পারেন।এজন্য আপনার ইউএসবি পোর্টে পেনড্রাইভটি সংযোগ করান। এখন Start/run- এ গিয়ে cmd লিখে কমান্ড অপশন খুলুন।এখন মাই কম্পিউটারে ঢুকে দেখে আপনার পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার কোনটি তা জেনে নিন।যেমন,ড্রাইভ লেটার যদি L হয় তাহলে কমান্ড অপশনে L: লিখে ইন্টার চাপুন।এরপর dir/w/o/a/p এই কমান্ডটি হুবহু লিখে ইন্টার চাপুন।এখন আপনি পেনড্রাইভে থাকা ফাইলের তালিকা দেখতে পারবেন।ফাইলের তালিকায় Bha.vbs , Iexplore.vbs, RVHost.exe, Ravmon.exe, New_Folder.exe, Autorun.inf ইত্যাদি নামের কোন ফাইল অথবা .exe এক্সটেনসনের কোন ফাইল আছে কি না দেখুন।যদি এরকম কোন ফাইল দেখতে পান তাহলে attrib -h -r -s -a *.* কমান্ডটি লিখে ইন্টার চাপুন।এখন del filename কমান্ড লিখে ইন্টার চাপুন।এখানে filename এর জায়গায় উক্ত ফাইলের নাম হুবহু লিখতে হবে।যেমন আপনি যদি Autorun.inf ফাইলটি মুছতে চান তাহলে del Autorun.inf কমান্ড লিখে ইন্টার চাপুন।এভাবে আপনি পেনড্রাইভের সন্দেহজনক ফাইলগুলো মুছে ফেলতে পারেন।এছাড়া সম্ভব হলে সবোর্চ্চ সুরক্ষার জন্য নিয়মিত হালনাগাদ এ্যান্টিভাইরাস দিয়ে পেনড্রাইভ সম্পূর্ন স্ক্যান করুন।
19:53 Unknown
অনেক সময় পেনড্রাইভে ভাইরাস থাকলেও আমরা তা শনাক্ত করতে পারি না।ইচ্ছে করলে আপনি সহজেই পেনড্রাইভের ভাইরাস শনাক্ত করতে পারেন।এজন্য আপনার ইউএসবি পোর্টে পেনড্রাইভটি সংযোগ করান। এখন Start/run- এ গিয়ে cmd লিখে কমান্ড অপশন খুলুন।এখন মাই কম্পিউটারে ঢুকে দেখে আপনার পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার কোনটি তা জেনে নিন।যেমন,ড্রাইভ লেটার যদি L হয় তাহলে কমান্ড অপশনে L: লিখে ইন্টার চাপুন।এরপর dir/w/o/a/p এই কমান্ডটি হুবহু লিখে ইন্টার চাপুন।এখন আপনি পেনড্রাইভে থাকা ফাইলের তালিকা দেখতে পারবেন।ফাইলের তালিকায় Bha.vbs , Iexplore.vbs, RVHost.exe, Ravmon.exe, New_Folder.exe, Autorun.inf ইত্যাদি নামের কোন ফাইল অথবা .exe এক্সটেনসনের কোন ফাইল আছে কি না দেখুন।যদি এরকম কোন ফাইল দেখতে পান তাহলে attrib -h -r -s -a *.* কমান্ডটি লিখে ইন্টার চাপুন।এখন del filename কমান্ড লিখে ইন্টার চাপুন।এখানে filename এর জায়গায় উক্ত ফাইলের নাম হুবহু লিখতে হবে।যেমন আপনি যদি Autorun.inf ফাইলটি মুছতে চান তাহলে del Autorun.inf কমান্ড লিখে ইন্টার চাপুন।এভাবে আপনি পেনড্রাইভের সন্দেহজনক ফাইলগুলো মুছে ফেলতে পারেন।এছাড়া সম্ভব হলে সবোর্চ্চ সুরক্ষার জন্য নিয়মিত হালনাগাদ এ্যান্টিভাইরাস দিয়ে পেনড্রাইভ সম্পূর্ন স্ক্যান করুন।
নিয়মিত কম্পিউটার ব্যবহার করলে এবং কয়েক বছর হয়ে গেলে কম্পিউটারে নানা সমস্যা দেখা দেয়। কিছু সহজ জিনিসের মাধ্যমে ইচ্ছা করলে আপনি আপনার কম্পিউটারের গতি বাড়াতে পারেন।
 পিসির জন্য অ্যান্টিভাইরাস খুবই জরুরি। তবে অ্যান্টিভাইরাসের জন্য ইন্টারনেট লাগবে। ইন্টারনেট ছাড়া অ্যান্টিভাইরাস থেকে কোনো লাভ নেই। কারণ, এটির ডেটা বেস প্রতিদিন আপডেট করতে হয় অর্থাৎ আপ টু ডেট করতে হয়। অ্যান্টিভাইরাস ছাড়া কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ বাড়তে থাকে।
 অনেকে আছেন, যাঁরা কম্পিউটারের পার্টস বেশি খোলাখুলি করেন। এটি করবেন না, কারণ এটি কম্পিউটারের জন্য খুব ক্ষতিকর। তা ছাড়া এতে বিভিন্ন জিনিসও নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
08:35 Unknown
নিয়মিত কম্পিউটার ব্যবহার করলে এবং কয়েক বছর হয়ে গেলে কম্পিউটারে নানা সমস্যা দেখা দেয়। কিছু সহজ জিনিসের মাধ্যমে ইচ্ছা করলে আপনি আপনার কম্পিউটারের গতি বাড়াতে পারেন।
 পিসির জন্য অ্যান্টিভাইরাস খুবই জরুরি। তবে অ্যান্টিভাইরাসের জন্য ইন্টারনেট লাগবে। ইন্টারনেট ছাড়া অ্যান্টিভাইরাস থেকে কোনো লাভ নেই। কারণ, এটির ডেটা বেস প্রতিদিন আপডেট করতে হয় অর্থাৎ আপ টু ডেট করতে হয়। অ্যান্টিভাইরাস ছাড়া কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ বাড়তে থাকে।
 অনেকে আছেন, যাঁরা কম্পিউটারের পার্টস বেশি খোলাখুলি করেন। এটি করবেন না, কারণ এটি কম্পিউটারের জন্য খুব ক্ষতিকর। তা ছাড়া এতে বিভিন্ন জিনিসও নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
পেনড্রাইভকে সাধারণত ফ্যাট ৩২ ফাইল ব্যবস্থায় ফরম্যাট করা হয়। তবে ফ্যাট ৩২ ফরম্যাট করতে সমস্যা হলে আপনি পেনড্রাইভকে এনটিএফএস ফরম্যাট করতে পারেন। এজন্য মাই কম্পিউটার থেকে পেনড্রাইভের ওপর ডান ক্লিক করে Properties->Hardware-এ গিয়ে পেনড্রাইভ নির্বাচন করতে হবে। এর পর Properties->Policies থেকে Optimize for Performance নির্বাচন করে ঙশ করতে হবে।
08:00 Unknown
পেনড্রাইভকে সাধারণত ফ্যাট ৩২ ফাইল ব্যবস্থায় ফরম্যাট করা হয়। তবে ফ্যাট ৩২ ফরম্যাট করতে সমস্যা হলে আপনি পেনড্রাইভকে এনটিএফএস ফরম্যাট করতে পারেন। এজন্য মাই কম্পিউটার থেকে পেনড্রাইভের ওপর ডান ক্লিক করে Properties->Hardware-এ গিয়ে পেনড্রাইভ নির্বাচন করতে হবে। এর পর Properties->Policies থেকে Optimize for Performance নির্বাচন করে ঙশ করতে হবে।
পেনড্রাইভের ব্যাকগ্রাউন্ডে ইচ্ছে করলে আপনি নিজের পছন্দের ছব যোগ করতে পারেনএজন্য প্রথমে আপনি নোটপ্যাড খুলুন এবং নিচের কোডগুলো পেস্ট করুন।
[ExtShellFolderViews]
{BE098140-A513-11D0-A3A4-00C04FD706EC}={BE098140-A513-11D0-A3A4-00C04FD706EC}
[{BE098140-A513-11D0-A3A4-00C04FD706EC}]
Attributes=1
IconArea_Image= background image
উপরের কোডে আপনি background image কে আপনি যে ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজ ব্যবহার করতে চান তার নাম দ্বারা রিপ্লেস করুন। উদাহরণসরূপ: sopnojatra.jpgএখন আপনি আপনার ফাইলটিকে desktop.ini নামে সেভ করুন। এবার আপনি desktop.ini ফাইলটি এবং আপনার নিধারিত ইমেজটি ইউএসবি ড্রাইভে সেন্ড করুন। আপনি এই ফাইল দুটিকে হাইড করেও রাখতে পারেন যাতে দুঘটনাবশত ফাইল দুটি ডিলেট না হয়।এরপর আপনার ইউএসবি ড্রাইভটিকে রিফ্রেশ করুন অথবা পুনরায় লাগান। তাহলেই আপনার ইউএসবি ড্রাইভে আপনার পছন্দের ইমেজ ব্যাকগ্রাউন্ড আকারে হাজির হয়েছে।
10:00 Unknown
পেনড্রাইভের ব্যাকগ্রাউন্ডে ইচ্ছে করলে আপনি নিজের পছন্দের ছব যোগ করতে পারেনএজন্য প্রথমে আপনি নোটপ্যাড খুলুন এবং নিচের কোডগুলো পেস্ট করুন।
[ExtShellFolderViews]
{BE098140-A513-11D0-A3A4-00C04FD706EC}={BE098140-A513-11D0-A3A4-00C04FD706EC}
[{BE098140-A513-11D0-A3A4-00C04FD706EC}]
Attributes=1
IconArea_Image= background image
উপরের কোডে আপনি background image কে আপনি যে ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজ ব্যবহার করতে চান তার নাম দ্বারা রিপ্লেস করুন। উদাহরণসরূপ: sopnojatra.jpgএখন আপনি আপনার ফাইলটিকে desktop.ini নামে সেভ করুন। এবার আপনি desktop.ini ফাইলটি এবং আপনার নিধারিত ইমেজটি ইউএসবি ড্রাইভে সেন্ড করুন। আপনি এই ফাইল দুটিকে হাইড করেও রাখতে পারেন যাতে দুঘটনাবশত ফাইল দুটি ডিলেট না হয়।এরপর আপনার ইউএসবি ড্রাইভটিকে রিফ্রেশ করুন অথবা পুনরায় লাগান। তাহলেই আপনার ইউএসবি ড্রাইভে আপনার পছন্দের ইমেজ ব্যাকগ্রাউন্ড আকারে হাজির হয়েছে।
সাধারনত পেন ড্রাইভ FAT, FAT 32 ফাইল সিস্টেমে চলে,ফলে এখানে ফাইল compression বা সংকোচনের কোন সুবিধা পাওয়া যায় না। কিন্তু NTFS ফাইল সিস্টেমে compression সুবিধা রয়েছে।যেমন,৫০ মেগাবাইটের একটি ফাইল NTFS ফরম্যাটের ড্রাইভে মাত্র ৩০ মেগাবাইট জায়গা নেবে।তাই NTFS ফাইল সিস্টেমে পেন ড্রাইভের মেমোরি অনেক সাশ্রয় হয়।আপনার পেন ড্রাইভকে NTFS ফরম্যাটে কনভার্ট করতে Start/Run- এ গিয়ে cmd লিখে কমান্ড খুলন এবং convert X: /FS:NTFS লিখে Enter চাপুন (X এর জায়গায় পেন ড্রাইভ যে ড্রাইভে রয়েছে তার অক্ষর হবে,যেমন L ড্রাইভে হলে হবে L )।এখন My computer এ গিয়ে পেন ড্রাইভের আইকনে ডান ক্লীক করে Properties এ যান।এখান থেকে ’ Compress Drive to Save Disk SpaceÕ অপশনে টিক দিয়ে OK করুন,এখন ’ Apply To Sub Folders and FilesÕ অপশন (যদি আসে) OK করে বের হয়ে আসুন।ব্যস কাজ শেষ। এখন পেন ড্রাইভে কোন ফাইল কপি করলে সেটা খুব বেশী জায়গা নেবে না,ফলে পেন ড্রাইভের মেমোরি অনেক সাশ্রয় হবে।
09:00 Unknown
সাধারনত পেন ড্রাইভ FAT, FAT 32 ফাইল সিস্টেমে চলে,ফলে এখানে ফাইল compression বা সংকোচনের কোন সুবিধা পাওয়া যায় না। কিন্তু NTFS ফাইল সিস্টেমে compression সুবিধা রয়েছে।যেমন,৫০ মেগাবাইটের একটি ফাইল NTFS ফরম্যাটের ড্রাইভে মাত্র ৩০ মেগাবাইট জায়গা নেবে।তাই NTFS ফাইল সিস্টেমে পেন ড্রাইভের মেমোরি অনেক সাশ্রয় হয়।আপনার পেন ড্রাইভকে NTFS ফরম্যাটে কনভার্ট করতে Start/Run- এ গিয়ে cmd লিখে কমান্ড খুলন এবং convert X: /FS:NTFS লিখে Enter চাপুন (X এর জায়গায় পেন ড্রাইভ যে ড্রাইভে রয়েছে তার অক্ষর হবে,যেমন L ড্রাইভে হলে হবে L )।এখন My computer এ গিয়ে পেন ড্রাইভের আইকনে ডান ক্লীক করে Properties এ যান।এখান থেকে ’ Compress Drive to Save Disk SpaceÕ অপশনে টিক দিয়ে OK করুন,এখন ’ Apply To Sub Folders and FilesÕ অপশন (যদি আসে) OK করে বের হয়ে আসুন।ব্যস কাজ শেষ। এখন পেন ড্রাইভে কোন ফাইল কপি করলে সেটা খুব বেশী জায়গা নেবে না,ফলে পেন ড্রাইভের মেমোরি অনেক সাশ্রয় হবে।
ভাইরাসের আক্রমণ থেকে পেনড্রাইভের সুরক্ষার জন্য পেনড্রাইভ কখনো সরাসরি Open অথবা Explore করে না খুলে My computer-এ গিয়ে Address Bar থেকে Drive Letter লিখে ( যেমন L হলে L ) পেনড্রাইভ খুলুন। এ ছাড়া Tools/Folder Options-এ গিয়ে View অপশন থেকে Show Hidden Files and Folders, Hide Extensions for known File Types, Hide Protected Operating System Files চেকবক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে হিডেন সিস্টেম ফাইল শো করুন এবং কোনো সন্দেহজনক হিডেন (*.exe) ফাইল পেলে মুছে ফেলুন। পেনড্রাইভে autorun.inf নামে একটা ফোল্ডার (ফাইল নয়) তৈরি করে রাখুন। ফলে এর জায়গায় autorun.inf ভাইরাস নিজস্ব ফাইল তৈরি করতে পারবে না।
09:54 Unknown
ভাইরাসের আক্রমণ থেকে পেনড্রাইভের সুরক্ষার জন্য পেনড্রাইভ কখনো সরাসরি Open অথবা Explore করে না খুলে My computer-এ গিয়ে Address Bar থেকে Drive Letter লিখে ( যেমন L হলে L ) পেনড্রাইভ খুলুন। এ ছাড়া Tools/Folder Options-এ গিয়ে View অপশন থেকে Show Hidden Files and Folders, Hide Extensions for known File Types, Hide Protected Operating System Files চেকবক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে হিডেন সিস্টেম ফাইল শো করুন এবং কোনো সন্দেহজনক হিডেন (*.exe) ফাইল পেলে মুছে ফেলুন। পেনড্রাইভে autorun.inf নামে একটা ফোল্ডার (ফাইল নয়) তৈরি করে রাখুন। ফলে এর জায়গায় autorun.inf ভাইরাস নিজস্ব ফাইল তৈরি করতে পারবে না।
পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ডের ফাইল অনেক সময় ভাইরাসের কারনে সব সুপার হিডেন হয়ে যায়। ফলে ফাইল বা ফোল্ডার দেখা যায় না কিন্তু জায়গা ঠিকই দখল করে রাখে।এতে অনেকে ভাবে ভাইরাসের কারনে ফাইলগুলো ডিলিট হয়ে গিয়েছে। আসলে ফাইলগুলো যেখানে যেভাবে ছিল সেভাবেই আছে শুধু ভাইরেসের কারনে এগুলো দেখা যাচ্ছে না। এছাড়াও এই ফোল্ডার গুলোর নামে EXE ফাইল তৈরী হয়, এগুলোকে ডিলিট করে দিতে হবে।আজকে আপনদের এই সমস্যার একটি কার্যকর সমাধান দেবো।
এরকম সমস্যা হলে প্রথমে run এ গিয়ে cmd লিখেenter চাপুন। এবার আপনার পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ড যে ড্রাইভে আছে তার অক্ষর(যেমন I: , J:, K: ) টাইপ করুন।এখন নিচের কমান্ড লিখে enter চাপুন-
attrib -s -r -h -a /s /d


আপনার সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে এতেই।
ঐ কমান্ডগুলোর অর্থটাও বুঝে নিন-
এখানে attrib মানে attribute এর সংক্ষিপ্ত রুপ।
s = system file or super hidden
r = read only
h = hidden
a = archive
/d = directory
/s = sub directory
10:36 Unknown
পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ডের ফাইল অনেক সময় ভাইরাসের কারনে সব সুপার হিডেন হয়ে যায়। ফলে ফাইল বা ফোল্ডার দেখা যায় না কিন্তু জায়গা ঠিকই দখল করে রাখে।এতে অনেকে ভাবে ভাইরাসের কারনে ফাইলগুলো ডিলিট হয়ে গিয়েছে। আসলে ফাইলগুলো যেখানে যেভাবে ছিল সেভাবেই আছে শুধু ভাইরেসের কারনে এগুলো দেখা যাচ্ছে না। এছাড়াও এই ফোল্ডার গুলোর নামে EXE ফাইল তৈরী হয়, এগুলোকে ডিলিট করে দিতে হবে।আজকে আপনদের এই সমস্যার একটি কার্যকর সমাধান দেবো।
এরকম সমস্যা হলে প্রথমে run এ গিয়ে cmd লিখেenter চাপুন। এবার আপনার পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ড যে ড্রাইভে আছে তার অক্ষর(যেমন I: , J:, K: ) টাইপ করুন।এখন নিচের কমান্ড লিখে enter চাপুন-
attrib -s -r -h -a /s /d


আপনার সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে এতেই।
ঐ কমান্ডগুলোর অর্থটাও বুঝে নিন-
এখানে attrib মানে attribute এর সংক্ষিপ্ত রুপ।
s = system file or super hidden
r = read only
h = hidden
a = archive
/d = directory
/s = sub directory
পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ডের ফাইল অনেক সময় ভাইরাসের কারনে সব সুপার হিডেন হয়ে যায়। ফলে ফাইল বা ফোল্ডার দেখা যায় না কিন্তু জায়গা ঠিকই দখল করে রাখে।এতে অনেকে ভাবে ভাইরাসের কারনে ফাইলগুলো ডিলিট হয়ে গিয়েছে। আসলে ফাইলগুলো যেখানে যেভাবে ছিল সেভাবেই আছে শুধু ভাইরেসের কারনে এগুলো দেখা যাচ্ছে না। এছাড়াও এই ফোল্ডার গুলোর নামে EXE ফাইল তৈরী হয়, এগুলোকে ডিলিট করে দিতে হবে।আজকে আপনদের এই সমস্যার একটি কার্যকর সমাধান দেবো।
এরকম সমস্যা হলে প্রথমে run এ গিয়ে cmd লিখেenter চাপুন। এবার আপনার পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ড যে ড্রাইভে আছে তার অক্ষর(যেমন I: , J:, K: ) টাইপ করুন।এখন নিচের কমান্ড লিখে enter চাপুন-
attrib -s -r -h -a /s /d


আপনার সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে এতেই।


ঐ কমান্ডগুলোর অর্থটাও বুঝে নিন-
এখানে attrib মানে attribute এর সংক্ষিপ্ত রুপ।
s = system file or super hidden
r = read only
h = hidden
a = archive
/d = directory
/s = sub directory
09:55 Unknown
পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ডের ফাইল অনেক সময় ভাইরাসের কারনে সব সুপার হিডেন হয়ে যায়। ফলে ফাইল বা ফোল্ডার দেখা যায় না কিন্তু জায়গা ঠিকই দখল করে রাখে।এতে অনেকে ভাবে ভাইরাসের কারনে ফাইলগুলো ডিলিট হয়ে গিয়েছে। আসলে ফাইলগুলো যেখানে যেভাবে ছিল সেভাবেই আছে শুধু ভাইরেসের কারনে এগুলো দেখা যাচ্ছে না। এছাড়াও এই ফোল্ডার গুলোর নামে EXE ফাইল তৈরী হয়, এগুলোকে ডিলিট করে দিতে হবে।আজকে আপনদের এই সমস্যার একটি কার্যকর সমাধান দেবো।
এরকম সমস্যা হলে প্রথমে run এ গিয়ে cmd লিখেenter চাপুন। এবার আপনার পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ড যে ড্রাইভে আছে তার অক্ষর(যেমন I: , J:, K: ) টাইপ করুন।এখন নিচের কমান্ড লিখে enter চাপুন-
attrib -s -r -h -a /s /d


আপনার সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে এতেই।


ঐ কমান্ডগুলোর অর্থটাও বুঝে নিন-
এখানে attrib মানে attribute এর সংক্ষিপ্ত রুপ।
s = system file or super hidden
r = read only
h = hidden
a = archive
/d = directory
/s = sub directory
পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ডের ফাইল অনেক সময় ভাইরাসের কারনে সব সুপার হিডেন হয়ে যায়। ফলে ফাইল বা ফোল্ডার দেখা যায় না কিন্তু জায়গা ঠিকই দখল করে রাখে।এতে অনেকে ভাবে ভাইরাসের কারনে ফাইলগুলো ডিলিট হয়ে গিয়েছে। আসলে ফাইলগুলো যেখানে যেভাবে ছিল সেভাবেই আছে শুধু ভাইরেসের কারনে এগুলো দেখা যাচ্ছে না। এছাড়াও এই ফোল্ডার গুলোর নামে EXE ফাইল তৈরী হয়, এগুলোকে ডিলিট করে দিতে হবে।আজকে আপনদের এই সমস্যার একটি কার্যকর সমাধান দেবো।
এরকম সমস্যা হলে প্রথমে run এ গিয়ে cmd লিখেenter চাপুন। এবার আপনার পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ড যে ড্রাইভে আছে তার অক্ষর(যেমন I: , J:, K: ) টাইপ করুন।এখন নিচের কমান্ড লিখে enter চাপুন-
attrib -s -r -h -a /s /d


আপনার সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে এতেই।


ঐ কমান্ডগুলোর অর্থটাও বুঝে নিন-
এখানে attrib মানে attribute এর সংক্ষিপ্ত রুপ।
s = system file or super hidden
r = read only
h = hidden
a = archive
/d = directory
/s = sub directory
17:03 Unknown
পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ডের ফাইল অনেক সময় ভাইরাসের কারনে সব সুপার হিডেন হয়ে যায়। ফলে ফাইল বা ফোল্ডার দেখা যায় না কিন্তু জায়গা ঠিকই দখল করে রাখে।এতে অনেকে ভাবে ভাইরাসের কারনে ফাইলগুলো ডিলিট হয়ে গিয়েছে। আসলে ফাইলগুলো যেখানে যেভাবে ছিল সেভাবেই আছে শুধু ভাইরেসের কারনে এগুলো দেখা যাচ্ছে না। এছাড়াও এই ফোল্ডার গুলোর নামে EXE ফাইল তৈরী হয়, এগুলোকে ডিলিট করে দিতে হবে।আজকে আপনদের এই সমস্যার একটি কার্যকর সমাধান দেবো।
এরকম সমস্যা হলে প্রথমে run এ গিয়ে cmd লিখেenter চাপুন। এবার আপনার পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ড যে ড্রাইভে আছে তার অক্ষর(যেমন I: , J:, K: ) টাইপ করুন।এখন নিচের কমান্ড লিখে enter চাপুন-
attrib -s -r -h -a /s /d


আপনার সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে এতেই।


ঐ কমান্ডগুলোর অর্থটাও বুঝে নিন-
এখানে attrib মানে attribute এর সংক্ষিপ্ত রুপ।
s = system file or super hidden
r = read only
h = hidden
a = archive
/d = directory
/s = sub directory