অনলাইনে আয় etiketine sahip kayıtlar gösteriliyor. Tüm kayıtları göster
অনলাইনে আয় etiketine sahip kayıtlar gösteriliyor. Tüm kayıtları göster
অনলাইনে আয়- বর্তমানে প্রযুক্তির দুনিয়ায় একটি প্রতিষ্ঠিত বিষয়।অনেকেই জানতে চান কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করে  আয় করা যায়।কিন্তু সঠিক দিক নিদের্শনার অভাবে অনেকেই ফ্রিল্যান্সিংয়ের বিষয়টি বুঝতে পারেন না।তাদের জন্যই আজকে থেকে আমি পিসি হেলপলাইনে শুরু করলাম ফ্রিল্যান্সিং টিউটোরিয়াল।ধারাবাহিক এই টিউটোরিয়ালে আমি চেষ্টা করবো ফ্রিল্যান্সার হওয়ার প্রকৃত নিয়ম আপনাদের সামনে তুলে ধরতে।ধাপে ধাপে প্রতিটি পর্বে সহজভাবে ফ্রিল্যান্সিংয়ের নিয়মগুলো জানাবো।





function changeimage(imagenum,newfilename)
{
document.images[imagenum].src=newfilena


তবে এটা মনে রাখবেন,তথ্য জানলেই আপনি অনলাইনে আয় করতে পারবেন বা ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হতে পারবেন-এই নিশ্চয়তা আমি দিতে পারবো না।আপনি যদি অধৈর্য অথবা অস্থির মানসিকতার হন তাহলে এই টিউটোরিয়াল আপনার জন্য নয় ।
যাহোক ,এতো কথা বাদ দিয়ে আজ প্রথম পর্বে জেনে নিই কিছু প্রাথমিক তথ্য-

ফ্রিল্যান্সি কি ?
ফ্রিল্যান্সিং একটি স্বাধীন পেশা।প্রযুক্তির আর্শীবাদে আপনি চেষ্টা করলেই হয়ে যেতে পারেন ফ্রিল্যান্সার।

এই পেশায় আয় কেমন ?
আপনি অস্থির মনের অধিকারী হলে আপনার জন্য এই পেশায় কোন আয় নেই।ধৈর্যশীল হলে মোটামোটি আয় করতে পারবেন।আর যদি সৃজনশীলতা,কম্পিউটার দক্ষতা,ইন্টারনেটে আপডেট রাখতে পারেন নিজেকে তাহলে এই পেশায় আপনার জন্য ভালো আয়ের মাধ্যম হতে পারে।তবে মনে রাখবেন এটি এমন একটি পেশা যেখানে আয়ের অংক নির্দিষ্ট নয়,কখনো কম বা কখনো বেশী হতে পারে ।ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে মাল্টি বিলিয়ন ডলারের বিশাল একটি বাজার।সারাবিশ্বের উন্ন্ত দেশগুলোতে এটি প্রতিষ্ঠিত পেশা ।

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবো কোথা থেকে ?
যেসব সাইট ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য উন্মুক্ত তাদেরকে বলা হয় ফ্রিল্যান্স মাকের্টপ্লেস।যেমন www.odesk.com, www.freelancer.com এই দুটি সাইট বর্তমানে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের কাছে খুবই জনপ্রিয়।এসব সাইটে যারা কাজ দিয়ে থাকে তাদেরকে বলা হয় buyer/client ।এই সাইটগুলোতে প্রতিদিন অসংখ্য কাজ জমা দেয়া থাকে।এসব কাজের জন্য যারা আবেদন করে তাদেরকে বলা হয় provider
 কিসের কাজ দেয়া হয় ?
ফ্রিল্যান্সিং সাইটে কাজের জন্য রয়েছে অসংখ্য কাট্যাগরী ।যেমন ডাটা এন্ট্রি,ডিজাইনিং,আর্টিকেল রাইটিং, ইত্যাদি

কাজের ধরন কেমন ?
সাধারনত একটি কাজের জন্য অসংখ্য provider আবেদন করে থাকে।কাজটি কত দিনে কত টাকায় শেষ করতে হবে তার বর্ননা লেখা থাকে।ক্লায়েন্ট যাকে খুশী নির্বাচন করতে পারেন।তবে সাধারনত যাদের পূর্ব কাজের এক্সপেরিয়েন্স রয়েছে তারাই অগ্রাধিকার পায় বেশী ।provider নিয়োগ করার পর ক্লায়েন্ট নিদির্ষ্ট পরিমান অর্থ সাইটে জমা দেয় যা কাজ শেষ হওয়ার সাথে সাথে প্রোভাইডার পেয়ে যায়।কাজেই কাজ করে টাকা পাওয়ার নিশ্চয়তা এখানে রয়েছে।তবে সবকিছুর জন্য সাইট নিদির্ষ্ট পরিমান চার্জ কেটে নেবে।
প্রথম পর্বে ফ্রিল্যান্সিং সমন্ধে প্রাথমিক ধারনাগুলে দেয়ার চেষ্টা করলাম।
আগামী পর্বে থেকে সরাসরি ফ্রিল্যান্স সাইটগুলোর বিস্তারিত আলোচনা করবো।এই ধারাবাহিকতায় আগামী পর্বে আপনারা আমার সাথে www.odesk.com সমন্ধে জানতে পারবেন।সে পর্যন্ত বিদায়।আর হ্যা, জানাতে ভুলবেন না আপনারা ফ্রিল্যান্সের কোন বিষয়গুলে জানতে চান।

14:49 Unknown
অনলাইনে আয়- বর্তমানে প্রযুক্তির দুনিয়ায় একটি প্রতিষ্ঠিত বিষয়।অনেকেই জানতে চান কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করে  আয় করা যায়।কিন্তু সঠিক দিক নিদের্শনার অভাবে অনেকেই ফ্রিল্যান্সিংয়ের বিষয়টি বুঝতে পারেন না।তাদের জন্যই আজকে থেকে আমি পিসি হেলপলাইনে শুরু করলাম ফ্রিল্যান্সিং টিউটোরিয়াল।ধারাবাহিক এই টিউটোরিয়ালে আমি চেষ্টা করবো ফ্রিল্যান্সার হওয়ার প্রকৃত নিয়ম আপনাদের সামনে তুলে ধরতে।ধাপে ধাপে প্রতিটি পর্বে সহজভাবে ফ্রিল্যান্সিংয়ের নিয়মগুলো জানাবো।





function changeimage(imagenum,newfilename)
{
document.images[imagenum].src=newfilena


তবে এটা মনে রাখবেন,তথ্য জানলেই আপনি অনলাইনে আয় করতে পারবেন বা ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হতে পারবেন-এই নিশ্চয়তা আমি দিতে পারবো না।আপনি যদি অধৈর্য অথবা অস্থির মানসিকতার হন তাহলে এই টিউটোরিয়াল আপনার জন্য নয় ।
যাহোক ,এতো কথা বাদ দিয়ে আজ প্রথম পর্বে জেনে নিই কিছু প্রাথমিক তথ্য-

ফ্রিল্যান্সি কি ?
ফ্রিল্যান্সিং একটি স্বাধীন পেশা।প্রযুক্তির আর্শীবাদে আপনি চেষ্টা করলেই হয়ে যেতে পারেন ফ্রিল্যান্সার।

এই পেশায় আয় কেমন ?
আপনি অস্থির মনের অধিকারী হলে আপনার জন্য এই পেশায় কোন আয় নেই।ধৈর্যশীল হলে মোটামোটি আয় করতে পারবেন।আর যদি সৃজনশীলতা,কম্পিউটার দক্ষতা,ইন্টারনেটে আপডেট রাখতে পারেন নিজেকে তাহলে এই পেশায় আপনার জন্য ভালো আয়ের মাধ্যম হতে পারে।তবে মনে রাখবেন এটি এমন একটি পেশা যেখানে আয়ের অংক নির্দিষ্ট নয়,কখনো কম বা কখনো বেশী হতে পারে ।ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে মাল্টি বিলিয়ন ডলারের বিশাল একটি বাজার।সারাবিশ্বের উন্ন্ত দেশগুলোতে এটি প্রতিষ্ঠিত পেশা ।

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবো কোথা থেকে ?
যেসব সাইট ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য উন্মুক্ত তাদেরকে বলা হয় ফ্রিল্যান্স মাকের্টপ্লেস।যেমন www.odesk.com, www.freelancer.com এই দুটি সাইট বর্তমানে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের কাছে খুবই জনপ্রিয়।এসব সাইটে যারা কাজ দিয়ে থাকে তাদেরকে বলা হয় buyer/client ।এই সাইটগুলোতে প্রতিদিন অসংখ্য কাজ জমা দেয়া থাকে।এসব কাজের জন্য যারা আবেদন করে তাদেরকে বলা হয় provider
 কিসের কাজ দেয়া হয় ?
ফ্রিল্যান্সিং সাইটে কাজের জন্য রয়েছে অসংখ্য কাট্যাগরী ।যেমন ডাটা এন্ট্রি,ডিজাইনিং,আর্টিকেল রাইটিং, ইত্যাদি

কাজের ধরন কেমন ?
সাধারনত একটি কাজের জন্য অসংখ্য provider আবেদন করে থাকে।কাজটি কত দিনে কত টাকায় শেষ করতে হবে তার বর্ননা লেখা থাকে।ক্লায়েন্ট যাকে খুশী নির্বাচন করতে পারেন।তবে সাধারনত যাদের পূর্ব কাজের এক্সপেরিয়েন্স রয়েছে তারাই অগ্রাধিকার পায় বেশী ।provider নিয়োগ করার পর ক্লায়েন্ট নিদির্ষ্ট পরিমান অর্থ সাইটে জমা দেয় যা কাজ শেষ হওয়ার সাথে সাথে প্রোভাইডার পেয়ে যায়।কাজেই কাজ করে টাকা পাওয়ার নিশ্চয়তা এখানে রয়েছে।তবে সবকিছুর জন্য সাইট নিদির্ষ্ট পরিমান চার্জ কেটে নেবে।
প্রথম পর্বে ফ্রিল্যান্সিং সমন্ধে প্রাথমিক ধারনাগুলে দেয়ার চেষ্টা করলাম।
আগামী পর্বে থেকে সরাসরি ফ্রিল্যান্স সাইটগুলোর বিস্তারিত আলোচনা করবো।এই ধারাবাহিকতায় আগামী পর্বে আপনারা আমার সাথে www.odesk.com সমন্ধে জানতে পারবেন।সে পর্যন্ত বিদায়।আর হ্যা, জানাতে ভুলবেন না আপনারা ফ্রিল্যান্সের কোন বিষয়গুলে জানতে চান।


আগের পোস্টে আমরা adsense নিয়ে এক দফা আলোচনা করেছি।বলেছিলাম adsense পাবার বিকল্প উপায় নিয়ে আলোচনা করবো।সেই পোস্ট থেকে নিশ্চই আপনারা বুঝতে পেরেছেন adsense পেতে হলে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে।সেই নিয়ম অনেকের কাছে কঠিন মনে হতে পারে ।তাই আজকে আমরা জানবো কি করে সেই নিয়ম একটু সহজ করা যায়।
আমরাদের অনেকেরই প্রি ওয়েবসাইট বানানোর শথ আছে। www.weebly.com ফ্রি সাইট বানানোর জন্য একটি দারুন মাধ্যম।এখানে sign up করে আপনি ফ্রি সাইট বানাতে পারেন এবং সেই ফ্রি সাইটে adsense পেতে পারেন।এটা blogger এর মত্র কঠিন নয়।এখানে সাইটে আপনি কিছু ভালো কন্টেন্ট দিয়েই পেয়ে যেতে পারেন কাংখিত adsense account.
10:05 Unknown

আগের পোস্টে আমরা adsense নিয়ে এক দফা আলোচনা করেছি।বলেছিলাম adsense পাবার বিকল্প উপায় নিয়ে আলোচনা করবো।সেই পোস্ট থেকে নিশ্চই আপনারা বুঝতে পেরেছেন adsense পেতে হলে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে।সেই নিয়ম অনেকের কাছে কঠিন মনে হতে পারে ।তাই আজকে আমরা জানবো কি করে সেই নিয়ম একটু সহজ করা যায়।
আমরাদের অনেকেরই প্রি ওয়েবসাইট বানানোর শথ আছে। www.weebly.com ফ্রি সাইট বানানোর জন্য একটি দারুন মাধ্যম।এখানে sign up করে আপনি ফ্রি সাইট বানাতে পারেন এবং সেই ফ্রি সাইটে adsense পেতে পারেন।এটা blogger এর মত্র কঠিন নয়।এখানে সাইটে আপনি কিছু ভালো কন্টেন্ট দিয়েই পেয়ে যেতে পারেন কাংখিত adsense account.

বাংলাদেশ এখনো পেপ্যাল সাপোর্ট করে না।কিন্তু তারপর আমরা বিভিন্ন উপায়ে বাংলাদেশ থেকে পেপ্যাল ব্যবহার করি।পেপ্যাল সাপোর্ট না করার কারনে আমাদের অনেকের পেপ্যাল আনভেরীফাই থাকে।এই আনভেরিফাই আইডি দিয়েও অনলাইনে বিভিন্ন কিছু কিনতে পারেন।কিনে রাখতে পারেন ডোমেইন।যেসব সাইট আনভেরীফাই পেপ্যাল থেকে ডোমেইন কেনা সাপোর্ট করে তার মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো-
www.expressdomain.cn
12:03 Unknown

বাংলাদেশ এখনো পেপ্যাল সাপোর্ট করে না।কিন্তু তারপর আমরা বিভিন্ন উপায়ে বাংলাদেশ থেকে পেপ্যাল ব্যবহার করি।পেপ্যাল সাপোর্ট না করার কারনে আমাদের অনেকের পেপ্যাল আনভেরীফাই থাকে।এই আনভেরিফাই আইডি দিয়েও অনলাইনে বিভিন্ন কিছু কিনতে পারেন।কিনে রাখতে পারেন ডোমেইন।যেসব সাইট আনভেরীফাই পেপ্যাল থেকে ডোমেইন কেনা সাপোর্ট করে তার মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো-
www.expressdomain.cn
প্রথমেই বলে রাখি,আমার মতো যদি আপনি বাংলা ব্লগ চালু করে থাকেন তাহলে adsense এর চিন্তা ঝেড়ে ফেলুন।কারন adsense এখন পর্যন্ত বাংলা সাপোর্ট করে না।তাই এটা বলা যায়,আমরা যারা বাংলায় ব্লগিং করি তারা অনেকটা নি:স্বার্থ ব্লগিং করি।যদিও adsense এর বিকল্প অনেক রয়েছে।কিন্তু সেপুলোর রেট adsense এর ধারে কাছেও যাবে না।

ব্লগিং করে কি অনলাইনে আয় করা সম্ভব? হ্যা সম্ভব।কিন্তু অনেকের কাছেই অনলাইনে আয় বিষয়ক ভাবনাটাই কাল্পনিক মনে হয়।তা মনে হবেই আপনি যদি মনে করেন কিছু বিষয় শিখলেন এবং একদিনেই ডলার কামানো শুরু করবেন তাহলে তো ভাই হবে না।একটু ধৈর্য ধরতে হবে।যাহোক মূল কথায় আসি।
Google adsesne কি ?

Google adsense হলো গুগলের advertising programme.
২০১০ সালের Q1তে, গুগল $.০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছিল ($.১৬ বিলিয়ন বার্ষিক), অথবা অ্যাডসেন্সের মধ্য দিয়ে মোট রাজস্ব ৩০% আয় করেছিলএডসেন্স গুগলের বিজ্ঞাপন প্রচার প্রোগ্রাম প্রোগ্রামের মাধ্যমে গুগল তৃতীয় পরে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন ওয়েবমাস্টার এবং ব্লগের মালিকদের নিকট বন্টন করে ওয়েবসাইটে গুগল এডসেন্স বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে ওয়েবমাস্টাররা অর্থ উপার্জন করতে পারে বিজ্ঞাপণদাতাদের নিকট থেকে প্রাপ্ত অর্থের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ ওয়েবমাস্টরদের মাধ্যমে বিতরণ করে গুগল গুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে যেকেউ অর্থ আয় করতে পারে প্রচুর বাংলাদেশী ব্লগার এবং ওয়েবসাইটের মালিক গুগল অ্যডসেন্সের বিজ্ঞাপণ প্রদর্শণের মাধ্যমে বর্তমানে অর্থ আয় করছেন

২০১০ সালেতে, গুগল $২.০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছিল ($৮.১৬ বিলিয়ন বার্ষিক), অথবা অ্যাডসেন্সের মধ্য দিয়ে মোট রাজস্ব ৩০% আয় করেছিল[২]এডসেন্স গুগলের বিজ্ঞাপন প্রচার প্রোগ্রামএ প্রোগ্রামের মাধ্যমে গুগল তৃতীয় পরে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন ওয়েবমাস্টার এবং ব্লগের মালিকদের নিকট বন্টন করে ওয়েবসাইটে গুগল এডসেন্স বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে ওয়েবমাস্টাররা অর্থ উপার্জন করতে পারেবিজ্ঞাপণদাতাদের নিকট থেকে প্রাপ্ত অর্থের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ ওয়েবমাস্টরদের মাধ্যমে বিতরণ করে গুগলগুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে যেকেউ অর্থ আয় করতে পারে
 শখের বশে ব্লগ বা ওয়েবসাইট বানাই।সে শখের পালে adsense এনে দিতে পারে অর্থের সুবাতাস।মনে করুন,আপনার ব্লগে/সাইটে রোজ ১০০০ ভিজিটর আসে।এদের মধ্যে ১০% ভিজিটরও যদি গুগলের ads এ ক্লীক করে তাহলে রোজ জমা হবে ১০ডলার,মাসে ৩০০ ডলার।ভাবছেন তাহলে তো খুবই সোজা।নিজেই অন্য জায়গা থেকে ক্লীক করবো।সেটাও পারবেন না।কারন ভূয়া ক্লীক বোঝা গেলে উল্টো আপনার adsense আইডি বাতিল হবে।কাজেই প্রতারনার চিন্তা ঝেড়ে ফেলুন।ভেবে চিন্তে একটা মানসম্মত ব্লগ/সাইট তৈরী করুন।তারপর adsense এরজন্য আবেদন করুন।মনে রাখবেন,adsense বাংলা সাপোর্ট করে না।তাই ব্লগে বাংলা কন্টেন্ট দেবেন।ব্লগাররা adsense-এ আবেদন করার আগে যেসব বিষয় খেয়াল করবেন-
*অন্য সাইট থেকে পোস্ট কপি করবেন না।পোস্টটি নিজের মতো করে লিখুন।
*প্রায় প্রতিদিনই পোস্ট দেয়ার চেষ্টা করবেন।
*অন্তত ১৫/১৬টি ইউনিক পোস্ট রাখবেন।
* সাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিনসমূহে ইনডেক্স করুন
*স্ম্পূর্ন ব্লগ ইংলিশে বানান।
*সাইটে পর্নো কন্টেন্ট রাখবেন না।

এসব বিষয় খেয়াল করলে আপনার adsense পাবার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।

এরপরের পোস্টে আমরা জানবো বিকল্প উপায়ে adsense পাবার উপায়।সে পর্যন্ত বিদায়।
11:42 Unknown
প্রথমেই বলে রাখি,আমার মতো যদি আপনি বাংলা ব্লগ চালু করে থাকেন তাহলে adsense এর চিন্তা ঝেড়ে ফেলুন।কারন adsense এখন পর্যন্ত বাংলা সাপোর্ট করে না।তাই এটা বলা যায়,আমরা যারা বাংলায় ব্লগিং করি তারা অনেকটা নি:স্বার্থ ব্লগিং করি।যদিও adsense এর বিকল্প অনেক রয়েছে।কিন্তু সেপুলোর রেট adsense এর ধারে কাছেও যাবে না।

ব্লগিং করে কি অনলাইনে আয় করা সম্ভব? হ্যা সম্ভব।কিন্তু অনেকের কাছেই অনলাইনে আয় বিষয়ক ভাবনাটাই কাল্পনিক মনে হয়।তা মনে হবেই আপনি যদি মনে করেন কিছু বিষয় শিখলেন এবং একদিনেই ডলার কামানো শুরু করবেন তাহলে তো ভাই হবে না।একটু ধৈর্য ধরতে হবে।যাহোক মূল কথায় আসি।
Google adsesne কি ?

Google adsense হলো গুগলের advertising programme.
২০১০ সালের Q1তে, গুগল $.০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছিল ($.১৬ বিলিয়ন বার্ষিক), অথবা অ্যাডসেন্সের মধ্য দিয়ে মোট রাজস্ব ৩০% আয় করেছিলএডসেন্স গুগলের বিজ্ঞাপন প্রচার প্রোগ্রাম প্রোগ্রামের মাধ্যমে গুগল তৃতীয় পরে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন ওয়েবমাস্টার এবং ব্লগের মালিকদের নিকট বন্টন করে ওয়েবসাইটে গুগল এডসেন্স বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে ওয়েবমাস্টাররা অর্থ উপার্জন করতে পারে বিজ্ঞাপণদাতাদের নিকট থেকে প্রাপ্ত অর্থের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ ওয়েবমাস্টরদের মাধ্যমে বিতরণ করে গুগল গুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে যেকেউ অর্থ আয় করতে পারে প্রচুর বাংলাদেশী ব্লগার এবং ওয়েবসাইটের মালিক গুগল অ্যডসেন্সের বিজ্ঞাপণ প্রদর্শণের মাধ্যমে বর্তমানে অর্থ আয় করছেন

২০১০ সালেতে, গুগল $২.০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছিল ($৮.১৬ বিলিয়ন বার্ষিক), অথবা অ্যাডসেন্সের মধ্য দিয়ে মোট রাজস্ব ৩০% আয় করেছিল[২]এডসেন্স গুগলের বিজ্ঞাপন প্রচার প্রোগ্রামএ প্রোগ্রামের মাধ্যমে গুগল তৃতীয় পরে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন ওয়েবমাস্টার এবং ব্লগের মালিকদের নিকট বন্টন করে ওয়েবসাইটে গুগল এডসেন্স বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে ওয়েবমাস্টাররা অর্থ উপার্জন করতে পারেবিজ্ঞাপণদাতাদের নিকট থেকে প্রাপ্ত অর্থের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ ওয়েবমাস্টরদের মাধ্যমে বিতরণ করে গুগলগুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে যেকেউ অর্থ আয় করতে পারে
 শখের বশে ব্লগ বা ওয়েবসাইট বানাই।সে শখের পালে adsense এনে দিতে পারে অর্থের সুবাতাস।মনে করুন,আপনার ব্লগে/সাইটে রোজ ১০০০ ভিজিটর আসে।এদের মধ্যে ১০% ভিজিটরও যদি গুগলের ads এ ক্লীক করে তাহলে রোজ জমা হবে ১০ডলার,মাসে ৩০০ ডলার।ভাবছেন তাহলে তো খুবই সোজা।নিজেই অন্য জায়গা থেকে ক্লীক করবো।সেটাও পারবেন না।কারন ভূয়া ক্লীক বোঝা গেলে উল্টো আপনার adsense আইডি বাতিল হবে।কাজেই প্রতারনার চিন্তা ঝেড়ে ফেলুন।ভেবে চিন্তে একটা মানসম্মত ব্লগ/সাইট তৈরী করুন।তারপর adsense এরজন্য আবেদন করুন।মনে রাখবেন,adsense বাংলা সাপোর্ট করে না।তাই ব্লগে বাংলা কন্টেন্ট দেবেন।ব্লগাররা adsense-এ আবেদন করার আগে যেসব বিষয় খেয়াল করবেন-
*অন্য সাইট থেকে পোস্ট কপি করবেন না।পোস্টটি নিজের মতো করে লিখুন।
*প্রায় প্রতিদিনই পোস্ট দেয়ার চেষ্টা করবেন।
*অন্তত ১৫/১৬টি ইউনিক পোস্ট রাখবেন।
* সাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিনসমূহে ইনডেক্স করুন
*স্ম্পূর্ন ব্লগ ইংলিশে বানান।
*সাইটে পর্নো কন্টেন্ট রাখবেন না।

এসব বিষয় খেয়াল করলে আপনার adsense পাবার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।

এরপরের পোস্টে আমরা জানবো বিকল্প উপায়ে adsense পাবার উপায়।সে পর্যন্ত বিদায়।